Surah Mulk Bangla (সূরা আল-কাহফ)

Read Surah Al Kahf in Bangla with Arabic text, pronunciation, translation and audio.

Surah Number:18 (৬৭)
Ayahs:১১০ টি (30)
Revelation:Makkah (মাক্কী)
Meaning:The Cave (গুহা / পর্বতগুহা)

About Al-Kahf (সূরা আল-কাহফ পরিচিতি)

মক্কার কুরাইশরা মদীনার ইহুদী পণ্ডিতদের পরামর্শে রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে পরীক্ষা করার জন্য ৩টি কঠিন প্রশ্ন করেছিল — আসহাবে কাহাফ (গুহাবাসী যুবক), খিজির (আ.) ও মুসা (আ.) এর সফর এবং ধুল-কারনাইন (জুলকারনাইন) বাদশাহ সম্পর্কে। সে প্রশ্নের অকাট্য উত্তর হিসেবে এই সূরা অবতীর্ণ হয়।

‘আল-কাহফ’ (الكهف) শব্দের বাংলা অর্থ পর্বতগুহা। ঈমান রক্ষার তাগিদে তৎকালীন অত্যাচারী রাজার শিরক থেকে আত্মরক্ষা করতে একদল যুবক পর্বতগুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। আল্লাহ তাদেরকে ৩০৯ বছর অলৌকিক ঘুমে আচ্ছন্ন রেখে ঈমানের হেফাজত করেন।

📌 সূরার মূল বিষয়বস্তু (Main Themes)

ঈমানের পরীক্ষা — আসহাবে কাহাফের অলৌকিক ঘটনা
সম্পদের পরীক্ষা — দুই বাগানের মালিক (সাহেবুল জান্নাতাইন) ও অহংকারের পরিণতি
জ্ঞানের পরীক্ষা — হযরত মুসা (আ.) ও হযরত খিজির (আ.) এর আধ্যাত্মিক সফর
ক্ষমতার পরীক্ষা — বাদশাহ জুলকারনাইন, ন্যায়বিচার ও ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীর নির্মাণ

💡 এই সূরা থেকে শিক্ষা (Key Lessons)

জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা সুন্নাত এবং তা পরবর্তী জুমা পর্যন্ত মুমিনের জীবনকে নূরে আলোকিত রাখে।
সূরা কাহফের প্রথম ও শেষ ১০টি আয়াত তিলাওয়াত ও মুখস্থ করা দাজ্জালের শেষ জামানার ভয়ঙ্কর ফিতনা থেকে সুরক্ষার গ্যারান্টি।

সূরা আল-কাহফ আরবী, উচ্চারণ ও অর্থ

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
আয়াত সূরা আল-কাহফ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَل لَّهُ عِوَجًا ﴿
উচ্চারণ:

আলহামদু লিল্লাহিল্লাজী আনজালা আলা আবদিহিল কিতাবা ওয়া লাম ইয়াজআল লাহু ইওয়াজা।

অর্থ:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দার ওপর কিতাব অবতীর্ণ করেছেন এবং তাতে কোনো বক্রতা রাখেননি।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
قَيِّمًا لِّيُنذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِّن لَّدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا ﴿
উচ্চারণ:

কাইয়্যিমাল লিইউনজিরা বা’সান শাদীদাম মিন লাদুনহু ওয়া ইউবাশশিরাল মু’মিনী নাল্লাজীনা ইয়ামালূ নাস সালিহাতি আন্না লাহুম আজরান হাসানা।

অর্থ:

একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন শাস্তির ভয় দেখানোর জন্য এবং সৎকর্মশীল মুমিনদের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য যে তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا ﴿
উচ্চারণ:

মাকিছীনা ফীহি অবদা।

অর্থ:

তারা তাতে অবস্থান করবে চিরকাল।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
وَيُنذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا ﴿
উচ্চারণ:

ওয়া ইউনজিরাল্লাজীনা কালু ত্তাধাজাল্লাহু ওয়ালাদা।

অর্থ:

এবং তাদেরকে সতর্ক করার জন্য যারা বলে: আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
مَّا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ﴿
উচ্চারণ:

মা লাহুম বিহী মিন ইলমিও ওয়া লা লিআবায়িহিম, কাবুরাত কালিমাতান তাখরুজু মিন আফওয়াহিহিম, ইন ইয়াকূলূনা ইল্লা কাজিবা।

অর্থ:

এ বিষয়ে না তাদের কোনো জ্ঞান আছে, না ছিল তাদের পিতৃপুরুষদের। কতই না জঘন্য তাদের মুখ নিঃসৃত উক্তি; তারা তো কেবল মিথ্যাই বলে।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ إِن لَّمْ يُؤْمِنُوا بِهَٰذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا ﴿
উচ্চারণ:

ফালাআল্লাহকা বাখিউন নাফসাকা আলা আসারিহিম ইন লাম ইউ’মিনূ বিহাজাল হাদীসি আসফা।

অর্থ:

তারা এই বাণীতে বিশ্বাস স্থাপন না করলে সম্ভবতঃ আপনি তাদের পেছনে মনস্তাপে নিজেকে ধ্বংস করে দেবেন।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَّهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ﴿
উচ্চারণ:

ইন্না জাআলনা মা আলাল আরদি জীনাতাল লাহা লি নাবলুওয়াহুম আইয়ুহুম আহসান আমালা।

অর্থ:

আমি পৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে তাকে তার শোভা করেছি, মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য যে তাদের মধ্যে কে আমলের দিক দিয়ে উত্তম।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا ﴿
উচ্চারণ:

ওয়া ইন্না লাজাআলূনা মা আলাইহা সাইদান জুরুজা।

অর্থ:

এবং তার ওপর যা কিছু রয়েছে আমি তা অবশ্যই উদ্ভিদহীন শুষ্ক ময়দানে পরিণত করব।

আয়াত সূরা আল-কাহফ
أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ﴿
উচ্চারণ:

আম হাসিবতা আন্না আসহাবাল কাহফি ওয়ার রাক্বীমি কানূ মিন আয়াতিনা আজাবা।

অর্থ:

আপনি কি মনে করেন যে, গুহা ও রক্বীমের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল?

আয়াত ১০সূরা আল-কাহফ
إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا ﴿১০
উচ্চারণ:

ইজ আওয়াল ফিতয়াতু ইলাল কাহফি ফাকালূ রাব্বানা আতিনা মিন লাদুনকা রাহমাতাউঁ ওয়া হায়্যি লানা মিন আমরিনা রাশাদা।

অর্থ:

যখন যুবকেরা গুহায় আশ্রয় নিল এবং বলল: হে আমাদের রব! তোমার পক্ষ থেকে আমাদের বিশেষ রহমত দান করো এবং আমাদের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করার তৌফিক দাও।

আয়াত ১১সূরা আল-কাহফ
فَضَرَبْنَا عَلَىٰ آذَانِهِمْ فِي الْكَهْفِ سِنِينَ عَدَدًا ﴿১১
উচ্চারণ:

ফাদারাবনা আলা আজানিহিম ফিল কাহফি সিনীনা আদাদা।

অর্থ:

অতঃপর আমি গুহায় বহু বছরের জন্য তাদের কানসমূহকে বধির করে রেখেছিলাম।

আয়াত ১২সূরা আল-কাহফ
ثُمَّ بَعَثْنَاهُمْ لِنَعْلَمَ أَيُّ الْحِزْبَيْنِ أَحْصَىٰ لِمَا لَبِثُوا أَمَدًا ﴿১২
উচ্চারণ:

সুম্মা বাআস্নাহুম লিনাহলামা আইয়ুল হিজবাইনি এহসা লিমা লাবিছূ আমাদা।

অর্থ:

অতঃপর আমি তাদেরকে জাগ্রত করলাম এটা জানার জন্য যে, দুই দলের মধ্যে কোনটি তাদের অবস্থান কাল সঠিকভাবে গণনা করতে পারে।

আয়াত ১৩সূরা আল-কাহফ
نَّحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ نَبَأَهُم بِالْحَقِّ ۚ إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى ﴿১৩
উচ্চারণ:

নাহনু নাকুচ্ছু আলাইকা নাবআহুম বিলহাক্কি, ইন্নাহুম ফিতয়াতুন আমানূ বিরাব্বিহিম ওয়া जिदনাহুম হুদা।

অর্থ:

আমি আপনার কাছে তাদের সংবাদ সঠিকভাবে বর্ণনা করছি; নিশ্চয়ই তারা ছিল কতগুলো যুবক, যারা তাদের রবের ওপর ঈমান এনেছিল এবং আমি তাদের হেদায়েত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।

আয়াত ১৪সূরা আল-কাহফ
وَرَبَطْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ إِذْ قَامُوا فَقَالُوا رَبُّنَا رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَن نَّدْعُوَ مِن دُونِهِ إِلَٰهًا ۖ لَّقَدْ قُلْنَا إِذًا شَطَطًا ﴿১৪
উচ্চারণ:

ওয়া রাবাতনা আলা কুলূবিহিম ইজ কামূ ফাকালূ রাব্বুনা রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি লান নাদউয়া মিন দূনিহী ইলাহাল লাকাদ কুলনা ইজান শততা।

অর্থ:

আর আমি তাদের অন্তরসমূহকে সুদৃঢ় করে দিয়েছিলাম যখন তারা দাঁড়িয়ে বলল: আমাদের রব তো আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রব, আমরা কখনোই তাঁকে ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্যকে আহ্বান করব না; করলে তা অবশ্যই এক চরম অন্যায় উক্তি হবে।

আয়াত ১৫সূরা আল-কাহফ
هَٰؤُلَاءِ قَوْمُنَا اتَّخَذُوا مِن دُونِهِ آلِهَةً ۖ لَّوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ ۖ فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا ﴿১৫
উচ্চারণ:

হাউলায়ি কওমুনাত তাখাজূ মিন দূনিহী আলিহাতাল লাউলা ইয়া’তূনা আলাইহিম বিসুলতানিম বাইয়িনিন ফামান আজলামু মিম্মানি ফতারা আলাল্লাহি কাজিবা।

অর্থ:

আমাদের এই জাতি তো তাঁর পরিবর্তে বহু উপাস্য গ্রহণ করেছে; তারা এদের স্বপক্ষে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করে না কেন? অতএব আল্লাহর ওপর যে মিথ্যা রটায়, তার চেয়ে অধিক জালিম আর কে?

আয়াত ১৬সূরা আল-কাহফ
وَإِذِ اعْتَزَلْتُمُوهُمْ وَمَا يَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ فَأْوُوا إِلَى الْكَهْفِ يَنشُرْ لَكُمْ رَبُّكُم مِّن رَّحْمَتِهِ وَيُهَيِّئْ لَكُم مِّنْ أَمْرِكُم مِّرْفَقًا ﴿১৬
উচ্চারণ:

ওয়া ইজি’ তাযালতুমূহুম ওয়া মা ইয়াবুদূনা ইল্লাল্লাহ ফাওঊ ইলাল কাহফি ইয়ানশুর লাকুম রাব্বুকুম মির্ন রাহমাতিহী ওয়া ইউহাইয়ি লাকুম মিন আমরিকুম মিরফাকা।

অর্থ:

আর যখন তোমরা তাদের থেকে এবং তারা আল্লাহ ব্যতীত যাদের ইবাদত করে তাদের থেকে পৃথক হলে, তখন তোমরা গুহায় আশ্রয় নাও; তোমাদের রব তোমাদের জন্য তাঁর রহমত বিস্তার করবেন এবং তোমাদের কাজের জন্য অনুকূল পরিবেশের ব্যবস্থা করবেন।

আয়াত ১৭সূরা আল-কাহফ
وَتَرَى الشَّمْسَ إِذَا طَلَعَت تَّزَاوَرُ عَن كَهْفِهِمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَإِذَا غَرَبَت تَّقْرِضُهُمْ ذَاتَ الشِّمَالِ وَهُمْ فِي فَجْوَةٍ مِّنْهُ ۚ ذَٰلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ ۗ مَن يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ ۖ وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُُّرْشِدًا ﴿১৭
উচ্চারণ:

ওয়া তারাশ শামসা ইজা তালাআত তাযাওয়ারু আন কাহফিহিম জাতাল ইয়ামীনি ওয়া ইজা গ্যারাবাত তাকরিদুহুম জাতাশ শিমালি ওয়া হুম ফী ফাজওয়াতিম মিনহু, জালিকা মিন আয়াতিল্লাহি মান ইয়াহদিল্লাহু ফহুওয়াল মুহতাদি ওয়া মাই ইউদলিল ফালান তাজিদা লাহু ওয়ালিয়্যাম মুর্শিসা।

অর্থ:

আপনি সূর্যকে দেখতে পেতেন, যখন তা উদিত হতো, তাদের গুহা হতে ডানপাশে ঢলে যেত এবং যখন অস্ত যেত, তখন তাদের থেকে বামপাশে কেটে যেত, আর তারা গুহার প্রশস্ত চত্বরে অবস্থিত ছিল। এটি আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অন্যতম; আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন সে-ই সঠিক পথপ্রাপ্ত, আর যাকে পথভ্রষ্ট করেন আপনি তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক অভিভাবক পাবেন না।

আয়াত ১৮সূরা আল-কাহফ
وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ ۚ وَنُقَلِّبُهُمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَذَاتَ الشِّمَالِ ۖ وَكَلْبُهُم بَاسِطٌ ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ ۚ لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا ﴿১৮
উচ্চারণ:

ওয়া তাহসাবুহুম আইকাজাঁও ওয়া হুম রুকূদুও ওয়া নুকাল্লিবুহুম জাতাল ইয়ামীনি ওয়া জাতাশ শিমালি ওয়া কালবুহুম বাসিতুন জিরাআইহি বিলওয়াসীদি লাউই ত্তালা’তা আলাইহিম লাওয়ালায়তা মিনহুম ফিরারাও ওয়া লামুলিতা মিনহুম রু’বা।

অর্থ:

আপনি তাদেরকে মনে করতেন জাগ্রত, অথচ তারা ছিল ঘুমন্ত; আর আমি তাদেরকে ডানে ও বামে পাশ ফেরাতাম; এবং তাদের কুকুরটি তার সামনের দু-পা গুহার দ্বারে প্রসারিত করে ছিল। আপনি যদি তাদেরকে উঁকি দিয়ে দেখতেন, তবে অবশ্যই পেছন ফিরে পলায়ন করতেন এবং তাদের ভয়ে শিহরিত হয়ে উঠতেন।

আয়াত ১৯সূরা আল-কাহফ
وَكَذَٰلِكَ بَعَثْنَاهُمْ لِيَتَسَاءَلُوا بَيْنَهُمْ ۚ قَالَ قَائِلٌ مِّنْهُمْ كَمْ لَبِثْتُمْ ۖ قَالُوا لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ ۚ قَالُوا رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثْتُمْ فَابْعَثُوا أَحَدَكُم بِوَرِقِكُمْ هَٰذِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلْيَنظُرْ أَيُّهَا أَزْكَىٰ طَعَامًا فَلْيَأْتِكُم بِرِزْقٍ مِّنْهُ وَلْيَتَلَطَّفْ وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا ﴿১৯
উচ্চারণ:

ওয়া কাজালিকা বাআস্নাহুম লিয়াতাসাআলূ বাইনাহুম, ক্বালা কায়িলুম মিনহুম কাম লাবিছতুম, কালূ লাবিছনা ইয়াউমান আও বা’দা ইয়াউমিন, কালূ রাব্বুকুম আ’লামু বিমা লাবিছতুম ফাবআছূ আহাদাকুম বিওয়ারিকিকুম হাজিহী ইলাল মাদীনাতি ফালইয়ানজুর আইয়ুহা আজকা তাআমান ফালইয়া’তিকুম বিরিজকিম মিনহু ওয়ালইয়াতালাত্তাফ ওয়া লা ইউশিআরন্না বিকুম আহাদা।

অর্থ:

আর এভাবেই আমি তাদেরকে জাগ্রত করলাম যাতে তারা নিজেদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করে; তাদের মধ্য হতে একজন বলল: তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ? তারা বলল: আমরা একদিন বা একদিনের কিছু অংশ অবস্থান করেছি। তারা বলল: তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ তা তোমাদের রবই ভালো জানেন; অতএব তোমাদের একজনকে তোমাদের এই রৌপ্যমুদ্রাসহ শহরে পাঠাও; সে যেন দেখে শহরের কোন খাদ্য সুপবিত্র, অতঃপর সেখান থেকে তোমাদের জন্য কিছু রিযিক নিয়ে আসুক এবং সে যেন সাবধানতা অবলম্বন করে এবং তোমাদের সংবাদ কাউকে টের পেতে না দেয়।

আয়াত ২০সূরা আল-কাহফ
إِنَّهُمْ إِن يَظْهَرُوا عَلَيْكُمْ يَرْجُمُوكُمْ أَوْ يُعِيدُوكُمْ فِي مِلَّتِهِمْ وَلَن تُفْلِحُوا إِذًا أَبَدًا ﴿২০
উচ্চারণ:

ইন্নাহুম ইন ইয়াজহারূ আলাইকুম ইয়ারজুমূকুম আও ইউঈদূকুম ফী মিল্লাতিহিম ওয়া লান তুফলিহূ ইজান অবদা।

অর্থ:

নিশ্চয়ই তারা যদি তোমাদের কথা জানতে পারে, তবে তোমাদেরকে পাথর মেরে হত্যা করবে অথবা তাদের ধর্মে ফিরিয়ে নেবে; আর সে অবস্থায় তোমরা কখনোই সফলকাম হবে না।

আয়াত ২১সূরা আল-কাহফ
وَكَذَٰلِكَ أَعْثَرْنَا عَلَيْهِمْ لِيَعْلَمُوا أَنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا إِذْ يَتَنَازَعُونَ بَيْنَهُمْ أَمْرَهُمْ ۖ فَقَالُوا ابْنُوا عَلَيْهِم بُنْيَانًا ۖ رَّبُّهُمْ أَعْلَمُ بِهِمْ ۚ قَالَ الَّذِينَ غَلَبُوا عَلَىٰ أَمْرِهِمْ لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيْهِم مَّسْجِدًا ﴿২১
উচ্চারণ:

ওয়া কাজালিকা আ’সারনা আলাইহিম লিইয়াহলামূ আন্না ওয়াদাল্লাহি হাক্কুও ওয়া আন্নাস সাআতা লা রাইবা ফীহা ইজ ইয়াতানাজাঊনা বাইনাহুম আমরাহুম ফাকালূ ব্নূ আলাইহিম বুনিয়ানান রাব্বুহুম আ’লামু বিহিম, ক্বালা ল্লাজীনা গালাবূ আলা আমরিহিম লানাত্তাধি জান্না আলাইহিম মাসজিদা।

অর্থ:

আর এভাবেই আমি মানুষদেরকে তাদের সংবাদ জানিয়ে দিলাম, যাতে তারা জানতে পারে যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কিয়ামতে কোনো সন্দেহ নেই। যখন তারা তাদের নিজেদের মধ্যে তাদের কর্তব্য বিষয়ে বিতর্ক করছিল, তখন তারা বলল: এদের ওপর একটি সৌধ নির্মাণ করো; তাদের রব তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত। আর তাদের বিষয়ে যাদের মতামত প্রাধান্য পেল তারা বলল: আমরা অবশ্যই এদের স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করব।

আয়াত ২২সূরা আল-কাহফ
سَيَقُولُونَ ثَلَاثَةٌ رَّابِعُهُمْ كَلْبُهُمْ وَيَقُولُونَ خَمْسَةٌ سَادِسُهُمْ كَلْبُهُمْ رَجْمًا بِالْغَيْبِ ۖ وَيَقُولُونَ سَبْعَةٌ وَثَامِنُهُمْ كَلْبُهُمْ ۚ قُل رَّبِّي أَعْلَمُ بِعِدَّتِهِم مَّا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا قَلِيلٌ ۗ فَلَا تُمَارِ فِيهِمْ إِلَّا مِرَاءً ظَاهِرًا وَلَا تَسْتَفْتِ فِيهِم مِّنْهُمْ أَحَدًا ﴿২২
উচ্চারণ:

সায়াকূলূনা সালাসাতুর রাবিউহুম কালবুহুম ওয়া ইয়াকূলূনা খামসাতুন সাদিসুহুম কালবুহুম রাজমাম বিলগাইবি ওয়া ইয়াকূলূনা সাবআতুও ওয়া সামিনুহুম কালবুহুম, কুল রাব্বী আ’লামু বিইদ্দঅতিহিম মা ইয়াহলামুহুম ইল্লা কলীলুন ফালা তুমারি ফীহিম ইল্লা মিরাআন জাহিরাও ওয়া লা তাস্তাফতি ফীহিম মিনহুম আহাদা।

অর্থ:

কিছু লোক বলবে: তারা ছিল তিনজন, তাদের চতুর্থটি ছিল তাদের কুকুর; এবং অনেকে বলবে: তারা ছিল পাঁচজন, তাদের ষষ্ঠটি ছিল তাদের কুকুর, অদৃশ্যে অনুমান করে; আবার অনেকে বলবে: তারা ছিল সাতজন, তাদের অষ্টমটি ছিল তাদের কুকুর। বলুন: আমার রবই তাদের সংখ্যা ভালো জানেন; খুব কম লোকই তাদের সংখ্যা জানে। অতএব আপনি সাধারণ আলোচনা ব্যতীত তাদের বিষয়ে বিতর্ক করবেন না এবং তাদের কারো কাছে এদের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইবেন না।

আয়াত ২৩সূরা আল-কাহফ
وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَٰلِكَ غَدًا ﴿২৩
উচ্চারণ:

ওয়া লা তাকূলন্না লিশায়ইন ইন্নী ফায়িলুন জালিকা গাদা।

অর্থ:

এবং আপনি কোনো কাজের বিষয়ে কখনো বলবেন না যে, আমি আগামীকাল এটি করব —

আয়াত ২৪সূরা আল-কাহফ
إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ ۚ وَاذْكُر رَّبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَىٰ أَن يَهْدِيَنِ رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَٰذَا رَشَدًا ﴿২৪
উচ্চারণ:

ইল্লা আই ইয়াশাআল্লাহু ওয়াজকুর রাব্বাকা ইজা নাসীতা ওয়া কুল অসা আই ইয়াহদিয়ানি রাব্বী লিআকরাবা মিন হাজা রাশাদা।

অর্থ:

‘ইনশাআল্লাহ’ (যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন) বলা ব্যতীত। আর যদি ভুলে যান তবে আপনার রবকে স্মরণ করুন এবং বলুন: আশা করি আমার রব আমাকে এর চেয়েও নিকটতম সঠিক পথের হেদায়েত দেবেন।

আয়াত ২৫সূরা আল-কাহফ
وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا ﴿২৫
উচ্চারণ:

ওয়া লাবিছূ ফী কাহফিহিম সালাসা মিআতিন সিনীনা ওয়াজদাদূ তিসআ।

অর্থ:

আর তারা তাদের গুহায় অবস্থান করেছিল তিনশত বছর এবং তারা আরও নয় বছর যোগ করেছিল (সৌর ও চান্দ্র গণনার পার্থক্য)।

আয়াত ২৬সূরা আল-কাহফ
قُلِ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثُوا ۖ لَهُ غَيْبُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ أَبْصِرْ بِهِ وَأَسْمِعْ ۚ مَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا ﴿২৬
উচ্চারণ:

কুলি ল্লাহু আ’লামু বিমা লাবিছূ, লাহূ গাইবুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি আবসির বিহী ওয়া আসমি’ মা লাহুম মিন দূনিহী মির্ন ওয়ালিয়্যিও ওয়া লা ইউশরিকু ফী হুকমিহী আহাদা।

অর্থ:

বলুন: তারা কতকাল অবস্থান করেছিল তা আল্লাহই ভালো জানেন; আসমান ও যমীদের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই। তিনি কতই না সুন্দর দ্রষ্টা ও শ্রোতা! তিনি ব্যতীত তাদের কোনো অভিভাবক নেই এবং তিনি তাঁর কর্তৃত্বে কাউকে শরিক করেন না।

আয়াত ২৭সূরা আল-কাহফ
وَاتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِن كِتَابِ رَبِّكَ ۖ لَا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِهِ وَلَن تَجِدَ مِن دُونِهِ مُلْتَحَدًا ﴿২৭
উচ্চারণ:

ওয়াতলু মা ঊহিয়া ইলাইকা মিন কিতাবি রাব্বিকা লা মুবাদ দিলা লিকালিমাতিহী ওয়া লান তাজিদা মিন দূনিহী মুলতাহাদা।

অর্থ:

আর আপনার রবের কিতাব হতে যা আপনার ওপর ওহী করা হয়েছে তা তিলাওয়াত করুন; তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নেই এবং তিনি ব্যতীত আপনি কখনোই কোনো আশ্রয়স্থল পাবেন না।

আয়াত ২৮সূরা আল-কাহফ
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُم بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ ۖ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَن ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا ﴿২৮
উচ্চারণ:

ওয়াসবির নাফসাকা মাআল্লাজীনা ইয়াদঊনা রাব্বাহুম বিলগদাতি ওয়াল আশিয়্যি ইউরীদূনা ওয়াজহাহু ওয়া লা তা’দু আই নাকা আনহুম তুরীদু জীনাতাল হায়াতিদ্দুনিয়া ওয়া লা তুতি’ মান আগফালনা কালবাহু আন জিকরিনা ওয়াত্তাবাআ হাওয়াহু ওয়া কানা আমরুহু ফুরুতা।

অর্থ:

আর আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে ধৈর্যশীল রাখুন যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে ডাকে তাঁর সন্তুষ্টি কামনায় এবং পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনায় আপনার দৃষ্টি তাদের দিক হতে ফিরিয়ে নেবেন না; আর যার অন্তরকে আমি আমার স্মরণ হতে গাফেল করেছি এবং সে তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে ও যার কাজ সীমালঙ্ঘনমূলক হয়েছে, তার আনুগত্য করবেন না।

আয়াত ২৯সূরা আল-কাহফ
وَقُلِ الْحَقُّ مِن رَّبِّكُمْ ۖ فَمَن شَاءَ فَلْيُؤْمِن وَمَن شَاءَ فَلْيَكْفُرْ ۚ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا ۚ وَإِن يَسْتَغِيثُوا يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ يَشْوِي الْوُجُوهَ ۚ بِئْسَ الشَّرَابُ وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا ﴿২৯
উচ্চারণ:

ওয়া কুলিল হাক্কু মির্ন রাব্বিকুম ফামান শাআ ফালইউ’মিন ওয়া মান শাআ ফালইয়াকফুর, ইন্না আ’তাদনা লিজ্জালিমীনা নারান আহাতা বিহিম সুরাদিকুহা ওয়া ইন ইয়াস্তাগীছূ ইউগাছূ বিমাআইন কালমুহলি ইয়াশউইল উজূহ বি’সাশ শরাবু ওয়া সাআত মুরতাফাকা।

অর্থ:

আর বলুন: সত্য তোমাদের রবের পক্ষ থেকে আগত; অতএব যার ইচ্ছা সে ঈমান আনুক এবং যার ইচ্ছা সে অস্বীকার করুক। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের জন্য প্রস্তুত রেখেছি অগ্নি, যার বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে; আর তারা যদি পানীয় প্রার্থনা করে তবে তাদেরকে গলিত ধাতুর ন্যায় পানীয় দেওয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল ঝলসে দেবে; কতই না নিকৃষ্ট পানীয় এবং কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!

আয়াত ৩০সূরা আল-কাহফ
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ إِنَّا لَا نُضِيعُ أَجْرَ مَنْ أَحْسَنَ عَمَلًا ﴿৩০
উচ্চারণ:

ইন্নাল্লাজীনা আমানূ ওয়া আমিলুস সালিহাতি ইন্না লা নুদীউ আজরা মান আহসান আমালা।

অর্থ:

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কখনো বিনষ্ট করি না।

আয়াত ১১০সূরা আল-কাহফ
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا ﴿১১০
উচ্চারণ:

কুল ইন্নামা আনা বাশারুম মিছলুকুম ইউহা ইলাইয়া আন্নামা ইলাহুকুম ইলাহুঁও ওয়াহিদ, ফামান কানা ইয়ারজূ লিকায়া রাব্বিহী ফালইয়ামাল আমলান সালিহাউঁ ওয়া লা ইউশরিক বিইবাদাতি রাব্বিহী আহাদা।

অর্থ:

বলুন: আমি তো কেবল তোমাদের মতোই একজন মানুষ, আমার ওপর ওহী অবতীর্ণ হয় যে, তোমাদের ইলাহ কেবল এক ইলাহ; অতএব যে ব্যক্তি তার রবের সাক্ষাৎ আশা করে, সে যেন সৎকাজ করে এবং তার রবের ইবাদতে কাউকেও শরিক না করে।

Listen to Surah Mulk (সূরা আল-মুলক তিলাওয়াত)

Listen to Surah Kahf (সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত)

সহজ ও মধুর কন্ঠে সূরা আল-কাহফের তিলাওয়াত শুনুন (Audio Player)।

Surah Mulk Bangla PDFসূরা আল-মুলকের আরবী, বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ এর পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন।
📥 Download Surah Mulk Bangla PDF

Surah Kahf Meaning and Lessons (শিক্ষা ও তাৎপর্য)

সূরা আল-কাহফের ৪টি প্রধান ঘটনার মাধ্যমে মানুষের জীবনের ৪টি বড় পরীক্ষার (ঈমানের পরীক্ষা, সম্পদের পরীক্ষা, জ্ঞানের পরীক্ষা ও ক্ষমতার পরীক্ষা) সমাধান দেওয়া হয়েছে।

প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা দাজ্জালের ফেতনা থেকে হেফাজত ও দুই জুম্মার মধ্যবর্তী সময় নূরের আলো ছড়াতে সাহায্য করে।

Frequently Asked Questions (সাধারণ প্রশ্নাবলী)

What is Surah Kahf?

সূরা আল-কাহফ পবিত্র কুরআনের ১৮তম মাক্কী সূরা। এতে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

How many ayahs are in Surah Kahf?

সূরা আল-কাহফের মোট আয়াত সংখ্যা ১১০।

What is Surah Kahf meaning in Bangla?

‘আল-কাহফ’ শব্দের অর্থ গুহা বা পর্বতগুহা।

Where was Surah Kahf revealed?

সূরা আল-কাহফ মক্কাতুল মোকাররমায় অবতীর্ণ একটি মাক্কী সূরা।

Why do Muslims read Surah Kahf on Friday?

কারণ রাসূলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনে সূরা কাহফ পড়ার বিশেষ তাকিদ দিয়েছেন এবং এতে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্তির শিক্ষা রয়েছে।

Is Surah Kahf available with Bangla pronunciation?

হ্যাঁ, ফ্রিটুলস বিডি-তে সূরা আল-কাহফের সকল আয়াতের আরবী পাঠ, সহজ বাংলা উচ্চারণ (Uccharon) ও অর্থ উপলব্ধ।

Can I download Surah Kahf Bangla PDF?

হ্যাঁ, আমাদের পিডিএফ সেকশন থেকে সূরা আল-কাহফ বাংলা অর্থ ও উচ্চারণসহ ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন।